ছবিঃ সংগৃহীত[/caption]
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, সোমবার দুপুরে আওনা ইউনিয়নের ৪নং ওয়ার্ডে ভিজিএফ চাল বিতরণ চলছিল। এসময় ইউনিয়ন বিএনপির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক স্বপন তরফদার ও স্থানীয় ডিলার দুলালের কাছে ৫নং ওয়ার্ডের কার্ড নিয়ে চাল তুলতে যান ইউনিয়ন যুবদলের শ্রম বিষয়ক সম্পাদক ইমন ও তার সহযোগীরা। এ নিয়ে তর্কবিতর্ক ও বাকবিতণ্ডার এক পর্যায়ে পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে।
ছবিঃ সংগৃহীত
[caption id="attachment_1472" align="aligncenter" width="225"]
ছবিঃ সংগৃহীত[/caption]
পরবর্তীতে সন্ধ্যায় তরনীআটা মোড় এলাকায় ছাত্রদল নেতা হামজার নেতৃত্বে ইমনসহ তাদের সহযোগীরা সাতটি মোটরসাইকেলযোগে এসে ধারালো অস্ত্র ও চাপাতি নিয়ে স্বপন তরফদার ও দুলালের নেতৃত্বাধীন গ্রুপের ওপর হামলা চালায়। এসময় মাথা ও শরীরে ধারালো অস্ত্রের আঘাতে স্বপন তরফদার, দুলালসহ অন্তত ছয়জন গুরুতর আহত হন।
স্থানীয়রা দ্রুত তাদের উদ্ধার করে সরিষাবাড়ী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। কর্তব্যরত চিকিৎসক প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়ার পর দুইজনকে আশঙ্কাজনক অবস্থায় ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে রেফার্ড করেন।আহত স্বপন তরফদারের ভাগ্নে মেরাজ মাহবুব সাহেদ সরিষাবাড়ী টাইমসের উপজেলা প্রতিনিধির সঙ্গে আলাপকালে বলেন,
"চাল বিতরণ নিয়ে দিনের বেলায় যে তর্কাতর্কি হয়েছিল তারই জেরে সন্ধ্যায় ইমন ও তার সহযোগীরা পরিকল্পিতভাবে হামলা চালিয়েছে। আমার মামাসহ বিএনপির বেশ কয়েকজন নেতাকর্মী গুরুতর আহত হয়েছেন।"
এদিকে ঘটনাকে কেন্দ্র করে তরনীআটা ও আশেপাশের এলাকায় ব্যাপক উত্তেজনা বিরাজ করছে। এলাকাবাসীর দাবি—এই ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত করে দোষীদের দ্রুত আইনের আওতায় আনা হোক। স্থানীয়রা আরও জানান, আওনা ইউনিয়ন বিএনপির অভ্যন্তরীণ কোন্দল ও প্রভাব বিস্তারকে কেন্দ্র করেই এই ধরনের সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। ফলে বিএনপির কর্মকাণ্ড নিয়ে সাধারণ মানুষের মধ্যে ক্ষোভ ও সমালোচনা দেখা দিয়েছে। এ বিষয়ে এলাকাবাসী আশা প্রকাশ করেছেন, সরিষাবাড়ী উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক এবং নবনির্বাচিত জেলা বিএনপির সভাপতি ফরিদুল কবীর তালুকদার শামীম যথাযথ তদন্তের মাধ্যমে সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেবেন এবং প্রশাসনকে সহযোগিতা করে শান্তি-শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনবেন। আহতদের স্বজন ও ভুক্তভোগীরা প্রশাসনের কাছে সঠিক আইন প্রয়োগের মাধ্যমে অপরাধীদের কঠোর শাস্তির দাবি জানিয়েছেন।