• শুক্রবার, ১৭ এপ্রিল ২০২৬, ০২:৩২ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
আওনা ইউনিয়নে ভিজিএফের চাল বিতরণকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষ, আহত ৬ জামালপুরে যৌথ বাহিনীর অভিযান: অস্ত্রভাণ্ডারসহ এক ব্যক্তি গ্রেফতার ভিপি নুরের ওপর হামলা: সীমাহীন লোভই সর্বনাশের মূল — ডাঃ পিনাকী ভট্টাচার্য কাকরাইল সংঘর্ষ : রাজনৈতিক দ্বন্দ্বের নতুন অগ্নিস্ফুলিঙ্গগুরুতর আহত নুরুল হক নুর পরীমনির নতুন প্রেমের গুঞ্জন: প্রেমিক কে? ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটি থেকে লতিফ সিদ্দিকী আটক ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের রোডম্যাপ ঘোষণা বাংলাদেশ চীনের কাছ থেকে ১২টি জে-১০সি যুদ্ধবিমান কিনতে আগ্রহী জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের প্রয়াণ দিবস আজ শরীয়তপুরে সাড়ে ২৬ হাজার নলকূপে আর্সেনিকের ভয়াবহ মাত্রা

জনতার স্মৃতিতে অম্লান – ব্যারিস্টার আব্দুস সালাম তালুকদার

সম্পাদকীয়
আপডেট : বুধবার, ২০ আগস্ট, ২০২৫

জনতার স্মৃতিতে অম্লান।

উন্নয়নের কর্ণধার,
আব্দুস সালাম তালুকদার,
জন্মিবেনা বার বার।

আজ ২০ শে আগস্ট। ময়মনসিংহের ক্ষণজন্মা পুরুষ, বিএনপির সাবেক সফল মহাসচিব, আধুনিক সরিষাবাড়ির রূপকার, মন্ত্রী ও জাতীয় নেতার ২৬ তম মৃত্যুবার্ষিকী। প্রয়াত এই মহান নেতার প্রতি রইলো বিনম্র শ্রদ্ধা।

সরিষাবাড়ীর সম্ভ্রান্ত তালুকদার পরিবারে ১৯৩৬ সালে জন্মগ্রহণ করা ব্যারিস্টার আব্দুস সালাম তালুকদার কেবল একজন রাজনীতিবিদ ছিলেন না; তিনি ছিলেন সততা, নিষ্ঠা ও দায়িত্বপরায়ণতার জীবন্ত প্রতীক। শিক্ষা জীবনে তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে রাষ্ট্রবিজ্ঞানে স্নাতক ও স্নাতকোত্তর এবং লন্ডনের লিংকন্স ইন থেকে ব্যারিস্টার-অ্যাট-ল ডিগ্রি অর্জন করেন। ১৯৭০ সালে আইন পেশায় যোগ দিয়ে তিনি দেশের মানুষের সেবায় নিজেকে নিবেদিত করেন।

১৯৭৬ সালে ডেমোক্রেটিক লীগে যোগ দিয়ে রাজনৈতিক জীবন শুরু হলেও তাঁর যাত্রা পরবর্তীতে বাংলাদেশের জাতীয়তাবাদী দলের মহাসচিব, সংসদ সদস্য, মন্ত্রী এবং জাতীয় লিয়াজো কমিটির সভাপতি পর্যন্ত বিস্তৃত হয়। ১৯৮১ সালে জিয়াউর রহমানের ক্যাবিনেটে আইন ও সংসদ বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী এবং ১৯৯১-১৯৯৬ সালের মধ্যে স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করে তিনি দেশের জন্য যে অবদান রেখেছেন, তা ইতিহাসের পাতায় উজ্জ্বল হয়ে আছে।

ব্যারিস্টার আব্দুস সালাম তালুকদারের জীবন ছিল আদর্শের এক জীবন্ত অধ্যায়। তার কর্মকাণ্ডে প্রতিফলিত হয় মানুষের প্রতি ভালবাসা, দেশের প্রতি নিবেদন এবং রাজনৈতিক সততা। তিনি ছিলেন সেই নেতা, যিনি দলের সীমারেখা ছাড়িয়ে সাধারণ মানুষের হৃদয়ে স্থান করে নিয়েছিলেন। মানুষের চোখে তিনি ছিলেন ভরসার নাম, মানুষের মনে তিনি ছিলেন আশা ও আস্থা।

১৯৯৯ সালের ২০ আগস্ট, উন্নত চিকিৎসার জন্য সিংগাপুরে যাওয়ার পথে তিনি আমাদের ছেড়ে গেলেও, তাঁর নীতিবোধ, কর্মমুখী জীবন এবং মানুষের প্রতি আন্তরিক ভালোবাসা চিরকাল আমাদের মধ্যে জীবিত থাকবে। আজকের এই দিনে আমরা শুধু একজন নেতাকে স্মরণ করি না, আমরা স্মরণ করি সেই জীবনকে, যা সততা, নিষ্ঠা এবং সমাজসেবার সঙ্গে রচিত।

মরহুমের রুহের মাগফিরাত কামনা করছি। আল্লাহ তাআলা তাকে জান্নাতুল ফেরদৌস দান করুন। সরিষাবাড়ী, ময়মনসিংহ এবং সমগ্র দেশের মানুষ তাঁর প্রতি অশেষ শ্রদ্ধা ও ভালোবাসা প্রকাশ করছে।

— সরিষাবাড়ী টাইমস


এই বিভাগের আরোও